সৌদি আরবে কাজে গিয়ে নিঁখোজ বেলডাঙ্গার যুবক ! 

Spread the love

 

সৌদি আরবে কাজে গিয়ে নিঁখোজ বেলডাঙ্গার যুবক !

নিজস্ব সংবাদদাতা :-সৌদি আরবে কাজে গিয়ে নিঁখোজ বেলডাঙ্গার যুবক !  মুর্শিদাবাদ জেলার বেলডাঙ্গা থানার হাটপাড়া গ্রামের আজহারুদ্দিন সেখ গত ডিসেম্বর ২০২২ এ সৌদি আরবে গিয়েছিল লেবারের কাজে। এলাকায় কাজ কম, বাবা দিন মজুরের কাজ করতে পারে না তাই আজাহারুদ্দিন সিদ্ধান্ত নিয়েছিল সৌদি যাবার। সেখানে কিছু ইনকাম করে বোনের বিয়ের ধার দেনা পরিষোধ করবে। সৌদিতে কাজের জন্য এলাকার এক দালালকে ধরে যাতে দালাল তাঁকে সৌদিতে কাজের একটা ব্যবস্থা করে দেয়। দালাল জানায় সৌদি যাবার জন্য খরচ আছে, ভিসা লাগবে, পাসপোর্ট করতে হবে। এইসব করতে আজাহারুদ্দিনের মা বাবা ধার দেনা করে দালালকে প্রায় এক লাখ ৩০হাজার টাকা দেয়। সৌদি আরবের জেদ্দা শহরে কিং আব্দুল আজিজ ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট এ সাফ সাফায় এর কাজ করত। সেখানে প্রায় ১বছর সাফ সাফায় এর কাজ করেছে। পরিবারের সাথ নিয়মিত যোগাযোগ ছিল মোবাইল ফোনের মাধ্যমে। গত ২০২৩ এর অক্টোবর মাসে তাঁকে সৌদি আরবের পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। তাঁরা দালাল এর স্মরাণাপন্ন হয়। দালাল জানায় তোমার ছেলে কে একটি কাজ জোগাড় করে দিয়েছি এটাই খুব। পুলিশের ধরলে সেখানে ছাড়ানো আমাদের দায়িত্ব নয়। তোমারা দেখে নাও। দালাল এর কাছ থেকে হতাশ হয়ে আজহারুদ্দিনের পরিবার কর্ণসুবর্ণ ওয়েলফেয়ার সোসাইটিতে যোগাযোগ করে। কর্ণসুবর্ণ ওয়েলফেয়ার সোসাইটির কর্ণধার মতিউর রহমান জানান “আমরা মুর্শিদাবাদ জেলার জেলাশাসক মহাশয়কে বিষয়টি লিখিতভাবে জানায় ৬ই নভেম্বর ২০২৪ এ, এর পাশাপাশি বিভিন্ন দপ্তরে মেল, টুইট ও হোয়াটসপে জানায়। আজহারের কোনো খোঁজ পায় নি। পরবর্তীতে মে মাসের ৫তারিখ জেদ্দা হাইকমিশনের জেল দপ্তরে চিঠি দিয়। সেখান থেকে মেল মারফত ভারতীয় হাইকমিশন জেদ্দা আমাদের জানায় আজহারুদ্দিন সেখ ২০২৩সালের ৩রা অক্টোবর এ সৌদিতে সরকারি নিয়ম অমান্য করার কারণে গ্রেপ্তার হয়েছিল এবং ঐ বছরই ২রা ডিসেম্বর ২০২৩এ জেল থকে মুক্তি পেয়ে যায়। আমরা আঝারুদ্দিনের পরিবারকে সে কথা জানিয়ে দিয়। আজহারুদ্দিন মা বাবা এই কথা জানার পর শোকস্তব্ধ হয়ে পড়ে। মা জানায় ছেলে যে মুক্তি পেলে কিন্তু আমাদের কোনো ফোন করলো না দেড় বছর, তাহলে আমার ছেলে কোথায় গেল? আমরা আপনাদের মাধ্যমে ছেলে খুঁজে বের করে ভারতে পাঠানোর আবেদন জানায় ভারতীয় হাইকমিশনের কাছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *