নতুন নিয়ম রেলে, সাধারণ কামরায় ছানা নিয়ে যাতায়াত সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ,

Spread the love

 

সাধারণ কামরায় ছানা নিয়ে যাতায়াত সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ, সোমবার অর্থ্যাৎ 10/01/2022 থেকে নতুন নিয়ম রেলে

ডিজিট্যাল ডেস্ক:-ভেন্ডার কামরার দরজা বন্ধ করা যাবে না, ব্যবসায়ীদের স্পষ্ট নির্দেশ রেলের।

ট্রেনের দরজা থেকে আসনের নিচ – সব জায়গাতেই ছানার ঝুড়ি। জলে ভাসছে কামরা। ছানার কড়া গন্ধে যাত্রীদের অবস্থা সঙ্গীন।

এই যন্ত্রণা ভোগ করতে করতেই ফি-দিন যাওয়াআসা করতে হচ্ছিল শিয়ালদহ-লালগোলা (Sealdah-Lalgola), কৃষ্ণনগর, শান্তিপুর শাখার নিত্যযাত্রীদের। দীর্ঘ ভোগান্তি নিয়ে বারবার অভিযোগ আসছিল রেল (Rail) ও পুলিশের কাছে। সোমবার এই ভোগান্তি থেকে রেহাই পেতে চলেছেন যাত্রীরা। ছানা আর যাত্রীবাহী কামরায় তুলতে পারবেন না ব্যবসায়ীরা। শুধুমাত্র ভেন্ডারেই (Vendor)যাতায়াত করতে হবে ছানা নিয়ে। ছানা ব্যবসায়ীদের দৌরাত্ম্য ঠেকাতে শনিবার রেলপুলিস ও ছানা ব্যবসায়ীদের মধ্যে বৈঠক হয়।

 

1 Day Basic Hijama Workshop

Certificate will be provided. Both theory and practical basic will be trained.

Cost only 1200/-

Hurry up to learn Hijama

কৃষ্ণনগরে এই বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে, ছানা ট্রেনের ভেন্ডার কামরা ছাড়া অন্য যাত্রীবাহী কামরায় তোলা হবে না। পাশাপাশি ভান্ডার কামরার দরজাও বন্ধ করতে পারবেন না তারা।

রেল পুলিশের ডিএসপি (গেদে) নরেন্দ্রনাথ দত্ত বলেন, ”ছানা ব্যবসায়ীরা যাত্রীবাহী কামরায় ছানা তোলায় স্বাচ্ছন্দ্যে যাতায়াত করতে পারেন না নিত্যযাত্রীরা। ছানার জলে কামরা ভিজে থাকা থেকে শুরু করে, সিটের নিচে, পা-দানিতে ছানার ঝুড়ি রাখা নিয়ে যাত্রীদের সঙ্গে রোজই ঝামেলা বাধে ব্যবসায়ীদের। পাশাপাশি ছানা তুলে ভেন্ডার কামরার দরজা বন্ধ করে দেওয়ায় মাঝ পথ থেকে কেউ সে কামরায় চড়তে পারেন না। এনিয়ে দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ আসছিল।” শনিবার রেল পুলিশের ডাকে বৈঠকে বসেন নদিয়া- মুর্শিদাবাদ ছানা ব্যবসায়ী সমিতি। বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে, সাধারণ যাত্রী কামরায় (General Compartment)ছানা তুলবেন না ব্যবসায়ীরা।

 

 

ভেন্ডার কামরার দরজাও বন্ধ করবেন না তারা। লালগোলা-শিয়ালদহ শাখার লোকাল ট্রেনে এই দৌরাত্ম্য এ দিশাহারা যাত্রীরা। এই দুর্ভোগ কাটাতে রেলের বৈঠকে নেওয়া এই সিদ্ধান্ত না মানলে ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনত ব্যবস্থা নেবে পুলিশ।

সম্প্রতি মুর্শিদাবাদের বেলডাঙ্গার এক যুবককে ট্রেন থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে ছানা ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে। একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপরই নড়ে বসে পুলিশ প্রশাসন। সোমবার থেকে সিদ্ধান্ত না মানলে ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হবে বলে জানিয়েছে রেল পুলিশ।

একইভাবে আরপিএফও (RPF) তাদের মতো করে ব্যবস্থা নেবে বলে জানিয়েছে। শুধু লোকাল নয়, মেল, এক্সপ্রেসেও একইভাবে দৌরাত্ম্য চালায় ব্যবসায়ীরা। শৌচালয়ের দরজার সামনে ছানা, পনিরের বস্তা রাখায় সেখানে ঢোকাই যায় না বলে অভিযোগ।

ট্রেনের দরজা থেকে আসনের নিচ – সব জায়গাতেই ছানার ঝুড়ি। জলে ভাসছে কামরা। ছানার কড়া গন্ধে যাত্রীদের অবস্থা সঙ্গীন। এই যন্ত্রণা ভোগ করতে করতেই ফি-দিন যাওয়াআসা করতে হচ্ছিল শিয়ালদহ-লালগোলা . কৃষ্ণনগর, শান্তিপুর শাখার নিত্যযাত্রীদের। দীর্ঘ ভোগান্তি নিয়ে বারবার অভিযোগ আসছিল রেল ও পুলিশের কাছে। সোমবার এই ভোগান্তি থেকে রেহাই পেতে চলেছেন যাত্রীরা। ছানা আর যাত্রীবাহী কামরায়  তুলতে পারবেন না ব্যবসায়ীরা। শুধুমাত্র ভেন্ডারেই যাতায়াত করতে হবে ছানা নিয়ে।

ছানা ব্যবসায়ীদের দৌরাত্ম্য ঠেকাতে শনিবার রেলপুলিস ও ছানা ব্যবসায়ীদের মধ্যে বৈঠক হয়। কৃষ্ণনগরে এই বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে, ছানা ট্রেনের ভেন্ডার কামরা ছাড়া অন্য যাত্রীবাহী কামরায় তোলা হবে না। পাশাপাশি ভান্ডার কামরার দরজাও বন্ধ করতে পারবেন না তারা। রেল পুলিশের ডিএসপি (গেদে) নরেন্দ্রনাথ দত্ত বলেন, ”ছানা ব্যবসায়ীরা যাত্রীবাহী কামরায় ছানা তোলায় স্বাচ্ছন্দ্যে যাতায়াত করতে পারেন না নিত্যযাত্রীরা। ছানার জলে কামরা ভিজে থাকা থেকে শুরু করে, সিটের নিচে, পা-দানিতে ছানার ঝুড়ি রাখা নিয়ে যাত্রীদের সঙ্গে রোজই ঝামেলা বাধে ব্যবসায়ীদের। পাশাপাশি ছানা তুলে ভেন্ডার কামরার দরজা বন্ধ করে দেওয়ায় মাঝ পথ থেকে কেউ সে কামরায় চড়তে পারেন না। এনিয়ে দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ আসছিল।”

শনিবার রেল পুলিশের ডাকে বৈঠকে বসেন নদিয়া- মুর্শিদাবাদ ছানা ব্যবসায়ী সমিতি। বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে, সাধারণ যাত্রী কামরায় (General Compartment)ছানা তুলবেন না ব্যবসায়ীরা। ভেন্ডার কামরার দরজাও বন্ধ করবেন না তারা। লালগোলা-শিয়ালদহ শাখার লোকাল ট্রেনে এই দৌরাত্ম্য এ দিশাহারা যাত্রীরা। এই দুর্ভোগ কাটাতে রেলের বৈঠকে নেওয়া এই সিদ্ধান্ত না মানলে ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনত ব্যবস্থা নেবে পুলিশ।

সম্প্রতি বসিরহাট লাইনে এক যুবককে ট্রেন থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়ার অভিযো ওঠে ছানা ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে। একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপরই নড়ে বসে পুলিশ প্রশাসন। সোমবার থেকে সিদ্ধান্ত না মানলে ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হবে বলে জানিয়েছে রেল পুলিশ। একইভাবে আরপিএফও (RPF) তাদের মতো করে ব্যবস্থা নেবে বলে জানিয়েছে। শুধু লোকাল নয়, মেল, এক্সপ্রেসেও একইভাবে দৌরাত্ম্য চালায় ব্যবসায়ীরা। শৌচালয়ের দরজার সামনে ছানা, পনিরের বস্তা রাখায় সেখানে ঢোকাই যায় না বলে অভিযোগ।

 

 

সৌজন্য :- সংবাদ প্রতিদিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.