রাজ্যবাসীকে ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুৎ বিনামূল্যে – চা বাগানেরও শ্রমিকদেরও ঢেলে দিলেন মমতা

Spread the love

ওয়েব ডেস্ক:- একুশের ভোটের আগে রাজ্য সরকার শেষ পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ করল। তৃণমূল সরকারের দ্বিতীয় দফার শেষ পূর্ণাঙ্গ আর্থিক বাজেট পেশ করলেন অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র৷ পুরসভা ভোট ও ২০২১ সালের নির্বাচনের কথা মাথায় রেখে ও আর্থিক টানাটানি থেকে রাজ্যকে দিশা দেখা দেখাতে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করেছেন অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র৷

বাজেট অধিবেশনের প্রথমেই এদিন রাজ্য সরকারের কৃতিত্বগুলি পাঠ করেন অমিত। জানান, বাংলায় ২২,২৬৬ কোটি টাকার বিদেশি বিনিয়োগ এসেছে। একই সঙ্গে তিনি জানান, বাংলায় আর্থিক বৃদ্ধির ১০.৪ শতাংশে পৌঁছেছে যা জাতীয় গড়ের দ্বিগুণ। গোটা দেশে যখন বেকারত্ব বেড়েছে তখন বাংলায় ৪০ শতাংশ বেকারত্ব কম হয়েছে বলে জানান তিনি। অর্থমন্ত্রী বলেন, বাংলা প্রথম ক্ষুদ্র শিল্পে, বাংলার প্রথম গ্রামীণ গৃহ নির্মাণে, সংখ্যালঘুদের স্কলারশিপে, বাংলা প্রথম ই-টেন্ডারিংয়ে, বাংলা প্রথম ইজ অব ডুইং বিজনেসেও।
এরপরই রাজ্যের তরফে একের পর এক জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের কথা ঘোষণা করতে শুরু করেন অর্থমন্ত্রী। চা শিল্পের ক্ষেত্রে আগামী ২টি অর্থবর্ষের জন্য কৃষি আয়কর সম্পূর্ণ মকুবের ঘোষণা করেন। রাজ্যের বিভিন্ন চা বাগানে স্থায়ীভাবে কর্মরত গৃহহীন চা শ্রমিকদের জন্য একটি আবাসন প্রকল্পের ঘোষণা করলেন অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র। তিনি জানিয়েছেন, ‘চা সুন্দরী’ নামে এই প্রকল্পে আগামী তিন বছরে রাজ্য সরকার ওই শ্রমিকদের জন্য আবাসন গড়ে দেবে।

রাজ্যে আরও ৩টি বিশ্ববিদ্যালয় তৈরির ঘোষণা করেন অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র। একই সঙ্গে বাজেটে তফশিলী জাতিভুক্তদের জন্য ‘বন্ধু’ নামে একটি বিশেষ প্রকল্পের ঘোষণা করলেন অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র। এর আওতায় ৬০ বছরের ঊর্ধ্বের তফশিলী জাতি উপজাতিভুক্তরা মাসিক এক হাজার টাকা করে ভাতা পাবেন। তবে অন্য কোনও পেনশন প্রকল্পে নাম থাকলে মিলবে না ভাতা।

বাজেটে বাংলার গরিব মানুষদের বিনামূল্যে বিদ্যুৎ সরবরাহের ঘোষণা করলেন অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র। ‘হাসির আলো’ নামে এই প্রকল্পের আওতায় যাঁরা ত্রৈমাসিকে ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুৎ ব্যবহার করেন, তাঁদের বিনা শুল্কে বিদ্যুৎ পরিষেবা দেওয়া হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.