বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে গৌতম, গুরুপ্রসাদ ও চন্দনের যোগদানে স্বীকৃতি দিতে নারাজ জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব

Spread the love

বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে গৌতম, গুরুপ্রসাদ ও চন্দনের যোগদানে স্বীকৃতি দিতে নারাজ জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব

নিজস্ব সংবাদদাতা ,কান্দী  :- মুর্শিদাবাদ জেলার কান্দি পৌরসভার প্রাক্তন পৌর পিতা গৌতম রায়, কান্দি পৌরসভার প্রাক্তন উপ পৌর পিতা গুরুপ্রসাদ মুখার্জি এবং কান্দি পৌরসভার 6 নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলর চন্দন হাজরা গত বুধবার কলকাতায় কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্রের হাত ধরে ভবানীপুর এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেস দলে যোগদান করেন, ওই তিন বিজেপি নেতা তৃণমূলে যোগদানের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় বর্তমানে ভাইরাল। বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগদান করার পর রাজ্য বিজেপির সম্পাদক গৌরীশংকর ঘোষ সাংবাদিক বৈঠক করে ওই তিন নেতৃত্বকে সুবিধাবাদী রাজনীতিবিদ বলে কটাক্ষ করেন অন্যদিকে গৌতম, গুরুপ্রসাদ ও চন্দন দের বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগদান করার পর থেকে স্থানীয় তথা জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব তাদের যোগদানের মানতে নারাজ, জেলা তৃণমূল নেতৃত্বের পক্ষ থেকে শুক্রবার বহরমপুর মুর্শিদাবাদ সাংগঠনিক জেলা তৃণমূল কংগ্রেস কার্যালয় বহরমপুর মুর্শিদাবাদ জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভানেত্রী শাওনি সিংহ রায় সাংবাদিক বৈঠক করে জানান গৌতম, গুরুপ্রসাদ ও চন্দন বাবুরা বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগদান করেছেন বলে জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব জানেনা পাশাপাশি প্রদেশ নেতৃত্বে পক্ষ থেকেও জানা নেই যে কান্দির তিন বিজেপি নেতা তৃণমূলে যোগদান করেছেন। তবে বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগদান করার পর কার্যত অস্বস্তিতে গৌতম, গুরুপ্রসাদ ও চন্দন। গৌতম বাবু জানান তারা তৃণমূলে যোগদান করেছেন তৃণমূলের বর্তমানে যারা পদাধিকারী রয়েছে জেলায় তাদের কে মান্যতা দিয়ে চলবেন তিনি এ বিষয়ে কোন মন্তব্য করবেন না অন্যদিকে গুরুপ্রসাদ বাবু বলেন আমরা প্রথা মেনে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করেছি আমি জেলা নেতৃত্ব বা স্থানীয় নেতৃত্ব কে সম্মান জানিয়ে বলবো আমি তাদের কাছে কপি পাঠিয়ে দিয়েছিলাম তবে তাদের কাছে সময় বেশি লাগছিল বলে আমরা কলকাতায় গিয়ে তৃণমূলে যোগদান করেছি। ওই তিন বিজেপি নেতা তৃণমূলে যোগদান প্রসঙ্গে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী কটাক্ষ করে বলেন কি করবো দিনরাত যদি কেউ জাত বদলায় অত হিসাব রাখা যায়। সবমিলিয়ে কান্দির এই তিন বিজেপি নেতারা তৃণমূলে যোগদান এর পরো জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব তাদের সিকৃতি না দেওয়ায় এখন কান্দি তথা মুর্শিদাবাদ জেলার রাজনীতিতে প্রধান আলোচ্য বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.