রাজস্থানে বিকট শব্দে কাঁপল এলাকা আকাশ থেকে তীব্র গতিতে এসে পড়ল ধাতব চাঁই,

Spread the love

আকাশ থেকে তীব্র গতিতে এসে পড়ল ধাতব চাঁই, বিকট শব্দে কাঁপল এলাকা

নিউজ ডেস্ক: – এ যে রহস্যের শেষ নেই । মহাজগতিক রহস্য। চারিদিকে রহস্যময় ঘটনা । মহাবিশ্বের মহা বিশ্ময় । কেই বলে এলিয়নের অস্তিত্ব । এ রকম মহা জাগতিক রহস্য ঘটল ২১ জুন এক মহাজাগতিক ঘটনার সাক্ষী থাকতে চলেছে গোটা বিশ্ব। তার আগে আরও এক রহস্যজনক মহাজাগতিক ঘটনা ঘটে গেল রাজস্থানে (Rajasthan)। আচমকাই আকাশ থেকে বিশাল এক চাঁই এসে পড়ল মরু রাজ্যের শহরে। তার তাপে ঝলসে গেল মাটির ঘাস। বিকট শব্দে কেঁপে উঠল গোটা এলাকা। প্রবল আতঙ্কে ছোটাছুটি শুরু করে দিলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। শেষপর্যন্ত রহস্যজনক ওই বস্তুর খবর পেয়ে স্থানীয় পুলিশ-প্রশাসন সেটিকে পরীক্ষা করতে পাঠায়।

ঠিক কী হয়েছিল?
সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, শুক্রবার ভোরে রাজস্থানের সাঞ্চোর শহরে আচমকাই একটি উল্কাপিণ্ডের (meteorite) মতোন রহস্যময় বস্তু উড়ে এসে পড়ে। তার ফলে বিকট শব্দের সৃষ্টি হয়। যার আওয়াজ ঘটনাস্থল থেকে প্রায় দু কিলোমিটার দূরে পর্যন্ত শোনা গিয়েছে। এই শব্দে আতঙ্কিত স্থানীয় বাসিন্দারা প্রশাসনের দ্বারস্থ হন। খবর পেয়ে হাজির হন প্রশাসনিক কর্তারা। জানা গিয়েছে, ওই বস্তুটির ওজন ছিল প্রায় ২.৭৮ কেজি। মাটিতে প্রায় কয়েক ফুট গভীর গর্ত হয়ে গিয়েছে। তবে বস্তুটি কোথা থেকে এল বা তার উৎপত্তি কোথা থেকে, তা নিয়ে রহস্য রয়েই গিয়েছে।

ঘটনা প্রসঙ্গে সাব ডিভিশনাল ম্যাজিস্ট্রেট ভূপেন্দ্র সিং জানান, “ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেখি, ওই বস্তুপিণ্ডটি তখনও গরম হয়ে রয়েছে। ওটা থেকে তাপ বের হচ্ছে। ঠান্ডা হওয়ার পর একটি জারের মধ্যে ভরে থানায় পাঠানো হয়। গোটা এলাকা ঘুরে দেখা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তের পর জানা গিয়েছে, বস্তুটি আকাশ থেকে পড়েছে। মনে করা হচ্ছে ওটা একটা উল্কাপিন্ড। তবে আরও বিস্তারিত জানতে এটা পরীক্ষা করতে পাঠানো হবে।” তবে সূত্রের খবর, স্থানীয় একটি পরীক্ষাগারে বস্তুটিকে পরীক্ষা করানো হয়েছে। তাতে জানা গিয়েছে, জার্মেনিয়াম, প্ল্যাটিনাম, নিকেল ও লোহা দিয়ে বস্তুটি তৈরি হয়েছে।

এ রকম মহা রহস্যময় ঘটনা .ঐ এলাকার জনমানসে প্রভাব ফেলেছে। এর বৈজ্ঞানিক ভিত্তি ই বা কি এই নিয়ে জোর শুরু হয়েছে চর্চা।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.