হাফটাইমের পর বেজেছিল হুইসেল! খেলার তোড়জোড় শুরু হতে মাঠেই লুটিয়ে পড়ল মঙ্গল, আর খুলল না চোখ

Spread the love

অয়ন বাংলা নিউজ ,রক্তিম সিদ্ধান্ত,  কান্দী:-     চলছিল খেলা। মাঝে হয় হাফ টাইম। এদিকে তারপর ফের খেলা শুরুতেই মাঠের মধ্যেই লুটিয়ে পড়েন খেলোয়াড়। হাসপাতালে নিয়ে যেতেই মৃত বলে ঘোষণা চিকিৎসকদের।বৃহস্পতিবার  চাঞ্চল্যকর এ ঘটনাটি ঘটেছে মুর্শিদাবাদের(Murshidabad) কান্দির হাজরা পাড়ায়। সূত্রের খবর, এদিন কান্দি বাণীসংঘ মাঠে একদিনের দিবারাত্রির ফুটবল(Football) টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়েছিল। সেই খেলার মাঝেই ঘটে গেল বিপত্তি। এই টুর্নামেন্টেই তারাপীঠ(Tarapith) ফুটবল টিমের সঙ্গে নরেন্দ্রনাথ পাঠ চক্রের খেলা পড়েছিল।

সূত্রের খবর, খেলা চলার মাঝেই নির্দিষ্ট সময় মেনে হুঁইশেল বাজিয়ে বিরতির ঘোষণা করেন রেফারি। বিরতি শেষে ফের খেলার তোড়জোড় শুরু হতেই ঘটে যায় বিপত্তি। তখন সবেমাত্র মাঠে নেমেছেন দুই দলের খেলাড়াররা। মাঠে নামেন তারাপীঠ ফুটবল টিমের সদস্য মঙ্গল সোরেন। কিন্তু, খেলার জন্য প্রস্তুতি নেওয়ার মাঝেই আচমকা মাঠের মাঝে পড়ে যান তিনি। খানিক্ষণের মধ্যে অজ্ঞানও হয়ে যান। তবে তাঁর এই অবস্থা থেকে অন্যান্যরা ছুটে এসে তাঁর মুখে চোখে জল দিলেও আর জ্ঞান ফেরেনি। তখনই দ্রুত তাঁকে কান্দি মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে শেষ রক্ষা হয়নি। হাসপাতালে নিয়ে যেতেই চিকিৎসকরা মঙ্গলকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। ইতিমধ্যেই কান্দি থানার পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে কান্দি মহকুমা হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে ময়নাতদন্তের জন্য।

বৃহস্পতিবার মুর্শিদাবাদের কান্দির হাজরা পড়ার পরিচালনায় কান্দি বাণীসংঘ মাঠে একদিনের একটি ডে নাইট ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়েছিল, এই ফুটবল টুর্নামেন্টে তারাপীঠ ফুটবল টিমের সঙ্গে নরেন্দ্রনাথ পাঠ চক্রের খেলার মাঝে বিরতির সময় তারাপীঠ ফুটবল টিমের এক সদস্য মঙ্গল সোরেন অসুস্থ হয়ে পড়ে। কমিটির সদস্যরা অসুস্থ খেলড়ার কে কান্দি মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে মৃত্যু হয় ওই খেলোয়াড়ের। মৃত ওই ফুটবল খেলোয়াড়ের বাড়ি বীরভূম জেলার তারাপীঠ বলে জনা গিয়েছে । ঘটনার খবর পেয়ে কান্দি থানার পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে কান্দি মহকুমার হাসপাতাল মর্গে পাঠায় ময়নাতদন্তের জন্য। ঘটনায় শোকের ছায়া গোটা এলাকা জুড়ে। দুর্ঘটনার পর বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে টুর্নামেন্টের সমস্ত খেলা।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.